মেনু নির্বাচন করুন

The Land of Coastal Beauty সৈকত সৌন্দর্যের বরগুনা

ডাউনলোড ব্র্যান্ড বুক

ছবিতে জেলা ব্র্যান্ডিং


জেলা ব্র্যান্ডিং এর কর্মপরিকল্পনা


বরগুনা জেলা ব্রান্ডিং এর কর্মপরিকল্পনা

 

সৈকত সৌন্দর্যের বরগুনা (BARGUNA the Land of Coastal Beauty)

 

1. ভূমিকা : গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের বর্তমান সরকার ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করার লক্ষ্যে রূপকল্প ২০২১ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে একটি সুখি ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে রূপকল্প ২০৪১ প্রণয়ন করেছে। উক্ত রুপকল্পসমূহ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রয়োজন দ্রুত এবং ধারাবাহিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি। এই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনকে ত্বরান্বিত করতে প্রয়োজন সমন্বিত প্রচেষ্ঠা। বাংলাদেশের প্রতিটি জেলাই বিভিন্নভাবে স্বাতন্ত্রমন্ডিত ও অর্থনৈতিকভাবে সম্ভাবনাময়। বরগুনা জেলাও তার ব্যতিক্রম নয়। বাংলাদেশের সকল জেলার মত বরগুনা জেলারও কিছু উল্লেখ্যযোগ্য বৈশিষ্ট্য রয়েছে। বরগুনা জেলার ভৌগলিক বৈশিষ্ট, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও কৃষিকে পুঁজি করে কার্যকর ব্র্যান্ডিংয়ের মাধ্যমে জেলাটিকে দেশে ও আন্তর্জাতিক অংগনে সকলের মাঝে পরিচিত করে তুলবে। ফলশ্রুতিতে বরগুনা জেলা পরিচিতির পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনীতিতে যুক্ত হবে নতুন মাত্রা, যা বাংলাদেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

 

২. বরগুনা জেলার পযটক আকর্ষণসমূহ : বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের জেলা বরগুনা। বঙ্গোপসাগরের উপকূল ঘেষে এ জেলার অবস্থান। তাল-তমাল, হিজল-পিয়াল, কেওড়া-বাবলা এবং নাম না জানা লাখো বৃক্ষ ও গাছ-গাছালির পত্রে-পুষ্পে শোভিত বরগুনা। জেলা বিষখালী, পায়রা এবং খাকদোন নদীর নিয়ত প্রবাহমান উর্মিল খরস্রোত এবং বিশাল বঙ্গোপসাগরের অদিগন্ত বিস্তীর্ণ বেলাভূমির সাথে বনভূমির নৈসর্গিক শোভা পর্যটকদের প্রধান আকর্ষণ। এছাড়া বরগুনা জেলায় রয়েছে কিছু প্রাচীন ঐতিহাসিক নিদর্শন।

ক. টেংরাগিরি ইকো পার্ক (সোনার চর): বরগুনা জেলা সদর থেকে ৩২ কি.মি দক্ষিণে তালতলী উপজেলার সোনার চর বঙ্গোপসাগরের একটি সমুদ্র সৈকত। ১১০০০ একর এলাকা জুড়ে সমুদ্র উপকূলবর্তী ফাতরার চরের গাছ-পালায় ঘেরা নয়নাভিরাম পর্যটন এলাকা সোনার চর। প্রায় ২ কি. মিটার দীর্ঘ সোনার চরের সমুদ্র সৈকতটি অপরূপ সৌন্দর্য্য নিয়ে আপন মহিমায় মহিয়ান। জোয়ারের সময় সবুজ বেষ্টনী ৭/৮ ফুট পানির নীচে তলিয়ে গিয়ে এক অভূতপূর্ব নৈসর্গিক দৃশ্যের সৃষ্টি করে। এ সমুদ্র সৈকতে নিরাপদ স্নান, সানবাথসহ একই জায়গায় থেকে সুর্যোদয় এবং সূর্যাস্তের অপরূপ দৃশ্য অবলোকন করা যায়। এ সৈকত থেকে নৌযানে সমুদ্র ভ্রমন করা সম্ভব। সৈকতে যাওয়ার পথ গভীর বনভূমির মধ্য দিয়ে হওয়ায় এর নৈসর্গিক সৌন্দর্য্য অতুলনীয়। গেওয়া, কেওড়া, সুন্দরী, ধুন্দল, গামার, বাইন, গোলপাতা, হেতাল বনের মধ্য দিয়ে সৈকতে যাওয়ার পথে দেখা হতে বানর, পিয়াল, ডাহুক, শুকর, বক সারস, গাংচিল, কবুতর, বনমোরগ, ঘুঘু, কাক, দোয়েলসহ বিভিন্ন প্রজাতির বন্য পশু-পাখির সাথে। বনের ভিতর বহুকাল পূর্ব থেকেই ১২টি কিল্লা ও ৭টি পুকুরের অস্তিত্ব রয়েছে। সমুদ্রের তীরবর্তী হলেও পুকুরগুলি মিঠা পানিতে ভর্তি। সৈকতে যাওয়ার গহীন বনকে কেন্দ্র করে নয়নাভিরাম ইকোপার্ক গড়ে উঠেছে।  পার্কের মধ্যে রয়েছে হরিণের বেষ্টনী, শুকরের বেষ্টনী, গড়ে তোলা রয়েছে কুমির প্রজনন কেন্দ্র। জঙ্গলে রয়েছে অজগরসহ নানা ধরনের সাপ। বঙ্গোপসাগরের কোল ঘেষে রয়েছে নানা প্রজাতির গাছ-গাছালি। রয়েছে নানা প্রজাতির পশু-পাখি।

 

ফাতরার জঙ্গল

 



জেলা ব্র্যান্ডিং ভিডিও গ্যালারী



Share with :